প্রকাশ:০৯/১০/২০২৬
বিশ্ব সংবাদ-
চলতি বছরের এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে ডিসেম্বর মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। একই সঙ্গে এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতি ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) প্রকাশিত মাসিক জলবায়ু বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি বলেছে, এল নিনোর প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা নতুন রেকর্ড গড়তে পারে। এমনকি ১৯৫০ সালের পর এটি সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোগুলোর একটি হতে পারে।
ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এল নিনো ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ। এটি অন্তত ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোগুলোর একটি হতে পারে।’
জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এল নিনোর কেন্দ্রস্থল মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে। এটি হবে নতুন রেকর্ড।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। এবার সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে ডব্লিউএমও।
সেলেস্তে সাওলো বলেন, ‘সমুদ্র থেকে যে তাপ আসছে, সেটি এখন পর্যন্ত আমাদের পরিমাপ করা সবচেয়ে উষ্ণ। ফলে ছেড়ে দেওয়ার মতো তাপের পরিমাণও অনেক বেশি।’
এল নিনো হলো প্রাকৃতিকভাবে সংঘটিত এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন চক্রের উষ্ণ পর্যায়। এই জলবায়ুগত প্রবণতা বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলে। সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর এল নিনো দেখা দেয়।


0 Comments